ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ঢাকা কলেজ মসজিদে এসি অচল দুই মাস, তীব্র গরমে দুর্ভোগে মুসল্লিরা

ঢাকা কলেজের জামে মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) স্থাপন করা হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে, কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে সেগুলো এখনো চালু হয়নি। এর ফলে তীব্র গরমের মধ্যে নামাজ আদায় করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন মুসল্লিরা।

বিশেষ করে জুমার নামাজ এবং অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত এসিগুলো চালু করে একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, এসি বসানোর পর স্বস্তির যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ না হওয়ায় প্রতিদিন গরমের মধ্যেই নামাজ আদায় করতে হচ্ছে, যা কষ্টকর।

এক শিক্ষার্থী সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘এসি স্থাপনের পরও তা ব্যবহার করতে না পারার বিষয়টি হতাশাজনক। মুসল্লিদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত এসিগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কলেজ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।’ আরেক শিক্ষার্থী ইমরান তার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, মসজিদে থাকা ফ্যানগুলোও পর্যাপ্ত স্বস্তি দিতে পারছে না, বিশেষ করে জুমার সময় মুসল্লিদের সংখ্যা বাড়লে গরম অসহনীয় হয়ে ওঠে।

এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস জানান, মসজিদের এসিগুলো এখনো চালু না হওয়ার প্রধান কারণ হলো বিদ্যুতের অপর্যাপ্ত সক্ষমতা। সাবস্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি সমাধানে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি। গত বছর এ প্রকল্পের বাজেট অনুমোদিত হয়েছে এবং প্রকৌশলীদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৩টি এসি স্থাপন করা হয়েছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে চাঁদাবাজির তাণ্ডব: মোহাম্মদপুরসহ একাধিক এলাকা আতঙ্কের জনপদ, সক্রিয় অর্ধশত চক্র

ঢাকা কলেজ মসজিদে এসি অচল দুই মাস, তীব্র গরমে দুর্ভোগে মুসল্লিরা

আপডেট সময় : ০৯:০৬:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ঢাকা কলেজের জামে মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) স্থাপন করা হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে, কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগের অভাবে সেগুলো এখনো চালু হয়নি। এর ফলে তীব্র গরমের মধ্যে নামাজ আদায় করতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন মুসল্লিরা।

বিশেষ করে জুমার নামাজ এবং অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা দ্রুত এসিগুলো চালু করে একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, এসি বসানোর পর স্বস্তির যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ না হওয়ায় প্রতিদিন গরমের মধ্যেই নামাজ আদায় করতে হচ্ছে, যা কষ্টকর।

এক শিক্ষার্থী সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘এসি স্থাপনের পরও তা ব্যবহার করতে না পারার বিষয়টি হতাশাজনক। মুসল্লিদের কথা বিবেচনা করে দ্রুত এসিগুলো চালুর উদ্যোগ নেওয়ার জন্য কলেজ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।’ আরেক শিক্ষার্থী ইমরান তার বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, মসজিদে থাকা ফ্যানগুলোও পর্যাপ্ত স্বস্তি দিতে পারছে না, বিশেষ করে জুমার সময় মুসল্লিদের সংখ্যা বাড়লে গরম অসহনীয় হয়ে ওঠে।

এ বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াস জানান, মসজিদের এসিগুলো এখনো চালু না হওয়ার প্রধান কারণ হলো বিদ্যুতের অপর্যাপ্ত সক্ষমতা। সাবস্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় এ সমস্যা তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি সমাধানে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি। গত বছর এ প্রকল্পের বাজেট অনুমোদিত হয়েছে এবং প্রকৌশলীদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কারিগরি কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৩টি এসি স্থাপন করা হয়েছে।’