ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

মিরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ: এমপি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল রূপনগর

ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্ণেল (অব.) আব্দুল বাতেনের মতবিনিময় সভায় সরকারি দলের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশ ও জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে মিরপুরের রূপনগর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও ঢাকা-১৬ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সংস্কৃতিকে পদদলিত করে বিএনপির সন্ত্রাসীরা জামায়াতের ওপর হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। এই হামলা ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াত্বেরই প্রকাশ।’ তিনি ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপিকে নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান, অন্যথায় জনগণ আগামী দিনে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

নাসির উদ্দীন আরও বলেন, ‘হামলা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জামায়াতের কোনো কর্মীকে নিষ্ক্রিয় করা যাবে না। কাউন্সিলর প্রার্থীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেও জামায়াতকে থামানো সম্ভব নয়। জামায়াত ছাড় দিতে পারে, কিন্তু ন্যায়ের প্রশ্নে পিছিয়ে যায় না।’ তিনি ক্ষমতাসীনদের সন্ত্রাস ও উস্কানির রাজনীতি বন্ধ করে আইন ও সাংবিধানিক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান, অন্যথায় জনগণ ঘরে বসে তামাশা দেখবে না বলে মন্তব্য করেন।

রূপনগর থানা আমির আবু হানিফের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাসানুল বান্না চপল, পল্লবী দক্ষিণ থানা আমির আশরাফুল আলম, পল্লবী উত্তর থানা আমির সাইফুল কাদের, পল্লবী মধ্য থানা আমির রইসুল ইসলাম পবন ও ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি রূপনগরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে মিরপুর-১১ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

সূত্রমতে, গত শুক্রবার বিকেলে রূপনগর এলাকায় ওই হামলায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন জামায়াত নেতাকর্মী আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই হামলার ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বাতেন। শুক্রবারের হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এমপি বাতেন বলেন, তিনি পল্লবীর ৩নং ওয়ার্ডের একটি মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে আসরের নামাজ পড়ার জন্য ‘ট’ ব্লকের মসজিদে যাচ্ছিলেন, কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে চাঁদাবাজির তাণ্ডব: মোহাম্মদপুরসহ একাধিক এলাকা আতঙ্কের জনপদ, সক্রিয় অর্ধশত চক্র

মিরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ: এমপি কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে উত্তাল রূপনগর

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য কর্ণেল (অব.) আব্দুল বাতেনের মতবিনিময় সভায় সরকারি দলের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের অনুপ্রবেশ ও জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে মিরপুরের রূপনগর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে জামায়াতের ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও ঢাকা-১৬ অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও সংস্কৃতিকে পদদলিত করে বিএনপির সন্ত্রাসীরা জামায়াতের ওপর হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা করছে। এই হামলা ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াত্বেরই প্রকাশ।’ তিনি ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপিকে নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে ইতিবাচক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান, অন্যথায় জনগণ আগামী দিনে তাদের প্রত্যাখ্যান করবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

নাসির উদ্দীন আরও বলেন, ‘হামলা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জামায়াতের কোনো কর্মীকে নিষ্ক্রিয় করা যাবে না। কাউন্সিলর প্রার্থীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেও জামায়াতকে থামানো সম্ভব নয়। জামায়াত ছাড় দিতে পারে, কিন্তু ন্যায়ের প্রশ্নে পিছিয়ে যায় না।’ তিনি ক্ষমতাসীনদের সন্ত্রাস ও উস্কানির রাজনীতি বন্ধ করে আইন ও সাংবিধানিক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানান, অন্যথায় জনগণ ঘরে বসে তামাশা দেখবে না বলে মন্তব্য করেন।

রূপনগর থানা আমির আবু হানিফের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী হাসানুল বান্না চপল, পল্লবী দক্ষিণ থানা আমির আশরাফুল আলম, পল্লবী উত্তর থানা আমির সাইফুল কাদের, পল্লবী মধ্য থানা আমির রইসুল ইসলাম পবন ও ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান প্রমুখ। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি রূপনগরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে মিরপুর-১১ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

সূত্রমতে, গত শুক্রবার বিকেলে রূপনগর এলাকায় ওই হামলায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীসহ অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন জামায়াত নেতাকর্মী আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই হামলার ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংসদ সদস্য কর্নেল আব্দুল বাতেন। শুক্রবারের হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে এমপি বাতেন বলেন, তিনি পল্লবীর ৩নং ওয়ার্ডের একটি মসজিদে জুমার নামাজ পড়ে আসরের নামাজ পড়ার জন্য ‘ট’ ব্লকের মসজিদে যাচ্ছিলেন, কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই এই হামলার ঘটনা ঘটে।