ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

বার্ড ফ্লুতে অ্যান্টার্কটিকায় ১৩ হাজারেরও বেশি সিল শাবকের মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবের ফলে প্রায় ১৩ হাজারেরও বেশি সাউদার্ন এলিফ্যান্ট সিলের শাবকের মৃত্যু হয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে। বিজ্ঞানীদের পরিচালিত ড্রোন জরিপ ও সরেজমিন পরিদর্শনের তথ্যানুসারে, গত আগস্ট মাস থেকে হার্ড দ্বীপে থাকা ১৭ হাজার ৩৬৪টি সিল শাবকের মধ্যে আনুমানিক ১৩ হাজার ৩৫৯টি মারা গেছে, যা মোট সংখ্যার ৭৫ শতাংশেরও বেশি। কিছু কিছু এলাকায় মৃত্যুহার ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

গবেষণাটি এখনও পিয়ার রিভিউ সম্পন্ন না হলেও, এটি বায়োআরএক্সআইভি-তে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা নয়টি ভিন্ন প্রজাতির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ছয়টি প্রজাতিতেই এইচ৫এন১ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণী এলিফ্যান্ট সিল, কিং পেঙ্গুইন, জেন্টু পেঙ্গুইন, অ্যান্টার্কটিক ফার সিল এবং সাউথ জর্জ ডাইভিং পেট্রেল। সিল শাবকদের পাশাপাশি কয়েকশ প্রাপ্তবয়স্ক কিং পেঙ্গুইনেরও মৃত্যু হয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশমন্ত্রী মারে ওয়াট এই ব্যাপক মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং ভাইরাসটি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে একমাত্র মহাদেশ যেখানে এখনো এইচ৫এন১ শনাক্ত হয়নি। যদিও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই ভাইরাস পাখি ছাড়াও বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জমির মালিকের ফ্ল্যাটে ১৫ শতাংশ করের প্রস্তাব, আবাসন খাতে নতুন অনিশ্চয়তা

বার্ড ফ্লুতে অ্যান্টার্কটিকায় ১৩ হাজারেরও বেশি সিল শাবকের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবের ফলে প্রায় ১৩ হাজারেরও বেশি সাউদার্ন এলিফ্যান্ট সিলের শাবকের মৃত্যু হয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে। বিজ্ঞানীদের পরিচালিত ড্রোন জরিপ ও সরেজমিন পরিদর্শনের তথ্যানুসারে, গত আগস্ট মাস থেকে হার্ড দ্বীপে থাকা ১৭ হাজার ৩৬৪টি সিল শাবকের মধ্যে আনুমানিক ১৩ হাজার ৩৫৯টি মারা গেছে, যা মোট সংখ্যার ৭৫ শতাংশেরও বেশি। কিছু কিছু এলাকায় মৃত্যুহার ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

গবেষণাটি এখনও পিয়ার রিভিউ সম্পন্ন না হলেও, এটি বায়োআরএক্সআইভি-তে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষকরা নয়টি ভিন্ন প্রজাতির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ছয়টি প্রজাতিতেই এইচ৫এন১ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এই প্রজাতিগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণী এলিফ্যান্ট সিল, কিং পেঙ্গুইন, জেন্টু পেঙ্গুইন, অ্যান্টার্কটিক ফার সিল এবং সাউথ জর্জ ডাইভিং পেট্রেল। সিল শাবকদের পাশাপাশি কয়েকশ প্রাপ্তবয়স্ক কিং পেঙ্গুইনেরও মৃত্যু হয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশমন্ত্রী মারে ওয়াট এই ব্যাপক মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং ভাইরাসটি অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের সম্ভাবনা সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়া বর্তমানে একমাত্র মহাদেশ যেখানে এখনো এইচ৫এন১ শনাক্ত হয়নি। যদিও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই ভাইরাস পাখি ছাড়াও বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।