ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সৌদি আরবে অপহৃত যুবক: মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না সন্ধান, পরিবারে শোকের ছায়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা নবি হোসেন সৌদি আরবের রিয়াদে অপহরণের শিকার হয়েছেন। রিয়াদের আজিজিয়া এলাকায় চারমিনা মসজিদের সামনে কাজ করার সময় তিনি অপহৃত হন। অপহরণকারীরা মুক্তিপণের জন্য একটি মোবাইল নম্বরে (০১৮৫৭৬৪০০০) টাকা পাঠানোর পর থেকে নবি হোসেনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এতে তার গ্রামের বাড়ি বাহুবল উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের গকুলপুর গ্রামে স্বজনদের মধ্যে গভীর হতাশা ও শোক বিরাজ করছে।

নবি হোসেনের বড় ভাই জমির আলী জানান, গত ২ জানুয়ারি জীবিকার তাগিদে তারেক মিয়া নামের এক দালালের মাধ্যমে নবি হোসেন সৌদি আরবে যান। তিনি রিয়াদের আজিজিয়া এলাকায় ‘শারিকাতু সুরাইয়া উবাইদ আল-মুতাইরি লিল মালুকাত’ কোম্পানিতে কাজ করতেন। গত ৩ জুন নবি হোসেন বাড়িতে ফোন করে বেতন পাওয়ার কথা জানালেও পরদিন টাকা ছাড়ার কথা বলেছিলেন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দালাল তারেক মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। ঘটনার ১৩ দিন পর ১৫ জুন অপহরণকারী চক্র মুক্তিপণ দাবি করে। ভাইয়ের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে জমির আলী বিকাশ নম্বরে (০১৮৫৭৬৪০০০) ৩৪ হাজার টাকা পাঠান। অপহরণকারী তখন বলেছিল মুক্তিপণ পেলে নবি হোসেনকে মক্কায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু নবি হোসেনের কোনো সন্ধান না দিয়ে পুনরায় আরও টাকা চাওয়া হলে জমির আলী ১৬ জুন আরও সাত হাজার টাকা পাঠান। এরপরও নবি হোসেনের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা সম্পূর্ণ হতাশ হয়ে পড়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবার নবি হোসেনকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

সৌদি আরবে অপহৃত যুবক: মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না সন্ধান, পরিবারে শোকের ছায়া

আপডেট সময় : ১১:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা নবি হোসেন সৌদি আরবের রিয়াদে অপহরণের শিকার হয়েছেন। রিয়াদের আজিজিয়া এলাকায় চারমিনা মসজিদের সামনে কাজ করার সময় তিনি অপহৃত হন। অপহরণকারীরা মুক্তিপণের জন্য একটি মোবাইল নম্বরে (০১৮৫৭৬৪০০০) টাকা পাঠানোর পর থেকে নবি হোসেনের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। এতে তার গ্রামের বাড়ি বাহুবল উপজেলার সাতকাপন ইউনিয়নের গকুলপুর গ্রামে স্বজনদের মধ্যে গভীর হতাশা ও শোক বিরাজ করছে।

নবি হোসেনের বড় ভাই জমির আলী জানান, গত ২ জানুয়ারি জীবিকার তাগিদে তারেক মিয়া নামের এক দালালের মাধ্যমে নবি হোসেন সৌদি আরবে যান। তিনি রিয়াদের আজিজিয়া এলাকায় ‘শারিকাতু সুরাইয়া উবাইদ আল-মুতাইরি লিল মালুকাত’ কোম্পানিতে কাজ করতেন। গত ৩ জুন নবি হোসেন বাড়িতে ফোন করে বেতন পাওয়ার কথা জানালেও পরদিন টাকা ছাড়ার কথা বলেছিলেন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

দালাল তারেক মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। ঘটনার ১৩ দিন পর ১৫ জুন অপহরণকারী চক্র মুক্তিপণ দাবি করে। ভাইয়ের জীবনের নিরাপত্তার কথা ভেবে জমির আলী বিকাশ নম্বরে (০১৮৫৭৬৪০০০) ৩৪ হাজার টাকা পাঠান। অপহরণকারী তখন বলেছিল মুক্তিপণ পেলে নবি হোসেনকে মক্কায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু নবি হোসেনের কোনো সন্ধান না দিয়ে পুনরায় আরও টাকা চাওয়া হলে জমির আলী ১৬ জুন আরও সাত হাজার টাকা পাঠান। এরপরও নবি হোসেনের কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ভাই ও পরিবারের সদস্যরা সম্পূর্ণ হতাশ হয়ে পড়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবার নবি হোসেনকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে বাহুবল মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, এখনো কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।