ঢাকা ০৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবক অপহরণ: মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না সন্ধান, উৎকণ্ঠায় পরিবার

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা নবি হোসেন নামের এক যুবক সৌদি আরবের রিয়াদে অপহরণের শিকার হয়েছেন। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ দাবি করলে পরিবারের পক্ষ থেকে দুই দফায় টাকা পরিশোধ করা হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। এতে নবি হোসেনের পরিবার চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে।

নবি হোসেনের বড় ভাই জমির আলী জানান, গত ২ জানুয়ারি করিমপুর গ্রামের তারেক মিয়ার মাধ্যমে নবি সৌদি আরবে যান। সেখানে রিয়াদের আজিজিয়া এলাকার একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন তিনি। প্রায় চার মাস পর গত ৩ জুন বাড়িতে ফোন দিয়ে বেতন পাওয়ার কথা জানান। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে দালাল তারেক মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। ঘটনার প্রায় ১৩ দিন পর, ১৫ জুন একটি ইমু অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অপহরণকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রথম দফায় ৩৪ হাজার টাকা পাঠানো হয়। অপহরণকারী তখন জানিয়েছিল, মুক্তিপণ দিলে তাকে মক্কায় পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু এরপরও তার সন্ধান না মেলায় পুনরায় আরও টাকা চাওয়া হয়। পরে আরও ৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়। এত টাকা দেওয়ার পরও নবির সন্ধান না পাওয়ায় পরিবার এখন গভীর আতঙ্কে রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

সৌদিতে বাংলাদেশি যুবক অপহরণ: মুক্তিপণ দিয়েও মিলছে না সন্ধান, উৎকণ্ঠায় পরিবার

আপডেট সময় : ০৪:০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার বাসিন্দা নবি হোসেন নামের এক যুবক সৌদি আরবের রিয়াদে অপহরণের শিকার হয়েছেন। অপহরণকারীরা মুক্তিপণ দাবি করলে পরিবারের পক্ষ থেকে দুই দফায় টাকা পরিশোধ করা হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। এতে নবি হোসেনের পরিবার চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে।

নবি হোসেনের বড় ভাই জমির আলী জানান, গত ২ জানুয়ারি করিমপুর গ্রামের তারেক মিয়ার মাধ্যমে নবি সৌদি আরবে যান। সেখানে রিয়াদের আজিজিয়া এলাকার একটি কোম্পানিতে কাজ করতেন তিনি। প্রায় চার মাস পর গত ৩ জুন বাড়িতে ফোন দিয়ে বেতন পাওয়ার কথা জানান। এরপর থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে দালাল তারেক মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। ঘটনার প্রায় ১৩ দিন পর, ১৫ জুন একটি ইমু অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। অপহরণকারীদের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রথম দফায় ৩৪ হাজার টাকা পাঠানো হয়। অপহরণকারী তখন জানিয়েছিল, মুক্তিপণ দিলে তাকে মক্কায় পাঠিয়ে দেবে। কিন্তু এরপরও তার সন্ধান না মেলায় পুনরায় আরও টাকা চাওয়া হয়। পরে আরও ৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়। এত টাকা দেওয়ার পরও নবির সন্ধান না পাওয়ায় পরিবার এখন গভীর আতঙ্কে রয়েছে।