একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা এবং পরবর্তীতে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করা বরেণ্য অভিনেত্রী সূচরিতা মনে করেন, তার দীর্ঘ অভিনয় জীবনে প্রাপ্তিগুলোর মধ্যে দর্শকের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা সবচেয়ে বড়। যদিও বর্তমানে তাকে আগের মতো সিনেমায় দেখা যায় না, তবে ভালো গল্পের প্রয়োজনে অভিনয় করতে তিনি এখনো আগ্রহী।
রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনে নিজের বাসভবনে সময় কাটানো এই অভিনেত্রী বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমি সিনেমায় অভিনয় করছি। নায়িকা হিসেবে এবং পরে মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেও আমি দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি। এই ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা আমার জীবনের সেরা প্রাপ্তি।’ তিনি আরও বলেন, একজন শিল্পী যতদিন সুস্থ ও সচেতন থাকেন, ততদিনই তিনি অভিনয় চালিয়ে যেতে পারেন, শিল্পীদের কোনো অবসর নেই।
সূচরিতা তার অভিনয় জীবনের শুরুর কথা স্মরণ করে বলেন, মুস্তাফিজ পরিচালিত ‘কুলি’ চলচ্চিত্রে শিশু চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার যাত্রা শুরু হয়। এরপর তিনি ‘নিমাই সন্ন্যাসী’, ‘অবাঞ্ছিত’, ‘রং বেরং’, ‘টাকা আনা পাই’, ‘কতো যে মিনতি’, ‘রাজ মুকুট’, ‘বাবলু’সহ আরও বেশ কিছু চলচ্চিত্রে শিশু চরিত্রে অভিনয় করেন।
নায়িকা হিসেবে তিনি আজিজুর রহমানের ‘স্বীকৃতি’, দীলিপ বিশ্বাসের ‘সমাধি’ এবং অশোক ঘোষের ‘মাস্তান’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তবে ১৯৭৭ সালে আব্দুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত ‘জাদুর বাঁশী’ সিনেমাটি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। এরপর তিনি প্রায় ৩০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য কিছু সিনেমার গান যেমন ‘জীবনে একজন প্রিয়জন সবারই প্রয়োজন’ (‘বজ্রমুষ্ঠি’), ‘আমার গরুর গাড়িতে’ (‘আঁখি মিলন’), ‘আকাশ বীনা চাঁদ’ (‘জাদুর বাঁশী’), ‘তুমি তো এখন আমারই কথা ভাবছো’ (‘জীবন নৌকা’), ‘আমার প্রেমের তরী বইয়া চলে’ (‘মহেশখালীর বাঁকে’) এবং ‘মেঘ বৃষ্টি বাদল’ সিনেমার গানগুলো দর্শকদের মধ্যে আজও জনপ্রিয়।
রিপোর্টারের নাম 

























