ঢাকা ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর, দেশজুড়ে তোলপাড়

দেশের বাইরে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাই পুলিশ। রোববার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই গ্রেপ্তারের খবরে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেয় আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই আদেশ দিয়েছিলেন। এর আগে, গত ৮ মার্চ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত। ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে, তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়, যা তার ঘোষিত সম্পদের চেয়ে অনেক বেশি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় বেরিবাঁধ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ: জননিরাপত্তা ও সরকারি সম্পত্তি নিয়ে উদ্বেগ

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক আইজিপি বেনজীর, দেশজুড়ে তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৩:১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দেশের বাইরে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুবাই পুলিশ। রোববার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তর এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। এই গ্রেপ্তারের খবরে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের জন্য ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেয় আদালত। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই আদেশ দিয়েছিলেন। এর আগে, গত ৮ মার্চ জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে করা মামলায় বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত। ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে, তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়, যা তার ঘোষিত সম্পদের চেয়ে অনেক বেশি।