ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক দিল ২,৫০০ কোটি টাকা

তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্রমতে, ঈদের পর থেকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাংকিং অঙ্গনে অস্থিরতা শুরু হয়। নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগের বিরোধিতা করে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে একদল গ্রাহক টানা আন্দোলন করে আসছেন। এর ফলে ব্যাংকটিতে বিপুলসংখ্যক আমানতকারী তাদের আমানত তুলে নিতে শুরু করেন, যা ব্যাংকের তারল্যের উপর চরম চাপ সৃষ্টি করে।

এ অবস্থায় ব্যাংকটির তারল্য সংকট এতটাই গভীর হয়ে পড়ে যে, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে তারা ব্যর্থ হয়। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সংরক্ষিত নগদ জমার বাধ্যতামূলক হার (সিআরআর) বজায় রাখতেও ব্যাংকটি অপারগ হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গত সপ্তাহে ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হলো।

গত শুক্রবার বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ইসলামী ব্যাংকের সংকট দ্রুত কেটে যাবে। আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলনে কোনো সমস্যা হবে না। প্রয়োজনে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়াকাটায় বেরিবাঁধ দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ: জননিরাপত্তা ও সরকারি সম্পত্তি নিয়ে উদ্বেগ

তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক দিল ২,৫০০ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০২:০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংককে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বিশেষ ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্রমতে, ঈদের পর থেকে ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে ব্যাংকিং অঙ্গনে অস্থিরতা শুরু হয়। নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগের বিরোধিতা করে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ব্যানারে একদল গ্রাহক টানা আন্দোলন করে আসছেন। এর ফলে ব্যাংকটিতে বিপুলসংখ্যক আমানতকারী তাদের আমানত তুলে নিতে শুরু করেন, যা ব্যাংকের তারল্যের উপর চরম চাপ সৃষ্টি করে।

এ অবস্থায় ব্যাংকটির তারল্য সংকট এতটাই গভীর হয়ে পড়ে যে, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ করতে তারা ব্যর্থ হয়। পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সংরক্ষিত নগদ জমার বাধ্যতামূলক হার (সিআরআর) বজায় রাখতেও ব্যাংকটি অপারগ হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে গত সপ্তাহে ব্যাংকটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা প্রদান করা হলো।

গত শুক্রবার বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ইসলামী ব্যাংককে তারল্য সহায়তা দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “ইসলামী ব্যাংকের সংকট দ্রুত কেটে যাবে। আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলনে কোনো সমস্যা হবে না। প্রয়োজনে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হবে।”