ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

ঝিনাইদহে এনআরবিসি ব্যাংকের ৩৫ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ: গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ

কৃষাণ-কৃষাণী ও উদ্যোক্তাদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এনআরবিসি ব্যাংকের অর্থায়নে ঝিনাইদহে প্রকাশ্যে কৃষিঋণ ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার ঝিনাইদহে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সোসিও ইকোনমিক হেল্থ এডুকেশন অর্গানাইজেশন (সিও)-এর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।

সিও-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান তনুশ্রী মিত্র, খুলনা ও বরিশাল জোনের প্রধান কৃষিবিদ মো. আব্দুল হালিম, হাটগোপালপুর শাখার ব্যবস্থাপক মো. জামাল উদ্দিনসহ ব্যাংক ও সিও-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে কৃষি উন্নয়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৫০০ জন কৃষক, কৃষাণী ও উদ্যোক্তার মধ্যে সর্বমোট ৩৫ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি উপকারভোগীদের পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পুষ্টিকর খাবারও বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, “কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কৃষি খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এনআরবিসি ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে কৃষিঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবা প্রদান করে আসছে।” তিনি আরও বলেন, “এনআরবিসি ব্যাংক কৃষিঋণ, কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পঋণ (সিএমএসএমই), আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কর্মসূচি উপকারভোগীদের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিআরটি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঝিনাইদহে এনআরবিসি ব্যাংকের ৩৫ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ: গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

কৃষাণ-কৃষাণী ও উদ্যোক্তাদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এনআরবিসি ব্যাংকের অর্থায়নে ঝিনাইদহে প্রকাশ্যে কৃষিঋণ ও পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার ঝিনাইদহে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সোসিও ইকোনমিক হেল্থ এডুকেশন অর্গানাইজেশন (সিও)-এর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মো. তৌহিদুল আলম খান।

সিও-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সামছুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান তনুশ্রী মিত্র, খুলনা ও বরিশাল জোনের প্রধান কৃষিবিদ মো. আব্দুল হালিম, হাটগোপালপুর শাখার ব্যবস্থাপক মো. জামাল উদ্দিনসহ ব্যাংক ও সিও-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে কৃষি উন্নয়ন, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৫০০ জন কৃষক, কৃষাণী ও উদ্যোক্তার মধ্যে সর্বমোট ৩৫ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি উপকারভোগীদের পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সুস্থ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পুষ্টিকর খাবারও বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. তৌহিদুল আলম খান বলেন, “কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে কৃষি খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতে এনআরবিসি ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে কৃষিঋণসহ বিভিন্ন আর্থিক সেবা প্রদান করে আসছে।” তিনি আরও বলেন, “এনআরবিসি ব্যাংক কৃষিঋণ, কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পঋণ (সিএমএসএমই), আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রাপ্তি কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ কর্মসূচি উপকারভোগীদের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।