ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সাদুল্যাপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা, আটক ৬

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় ঘোড়া জবাই করে তার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির চেষ্টার সময় হাতেনাতে ছয়জনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোদ্দ রসুলপুর গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে এবং জব্দকৃত মাংস উদ্ধার করে মাটিতে পুঁতে ফেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনিসুর ডাক্তার নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি টের পেয়ে গ্রামবাসী তাদের ঘেরাও করে এবং পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, এ ধরনের কাজ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সাদুল্যাপুর থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন যে, আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনার নেপথ্যে অন্য কারো যোগসাজশ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনা শিবিরে বড় ধাক্কা: বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে গেলেন বালের্দি, স্থলাভিষিক্ত সেনেসি

সাদুল্যাপুরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা, আটক ৬

আপডেট সময় : ০২:০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলায় ঘোড়া জবাই করে তার মাংস গরুর মাংস হিসেবে বিক্রির চেষ্টার সময় হাতেনাতে ছয়জনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। শুক্রবার সকালে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের খোদ্দ রসুলপুর গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে এবং জব্দকৃত মাংস উদ্ধার করে মাটিতে পুঁতে ফেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনিসুর ডাক্তার নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে একটি চক্র ঘোড়া জবাই করে সেই মাংস বাজারে বিক্রির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। বিষয়টি টের পেয়ে গ্রামবাসী তাদের ঘেরাও করে এবং পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে সাদুল্যাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, এ ধরনের কাজ জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সাদুল্যাপুর থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন যে, আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং এ ঘটনার নেপথ্যে অন্য কারো যোগসাজশ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।