ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

চার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার ঘোষণা, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা

বাণিজ্য, পরিবহন এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার দেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর—রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর এবং সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি, একটি সমন্বিত ডিজিটাল লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম চালু করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জানাতে গিয়ে এই তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একটি আধুনিক আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও পরিবহন নেটওয়ার্কে দেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় একটি জাতীয় বিমান সংযোগ গ্রিড স্থাপন, নতুন আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার তৈরি এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে সমন্বিত যাত্রী ও লজিস্টিকস কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে রূপান্তরের পাশাপাশি পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল সহজ করতে, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করতে এবং বাণিজ্য দক্ষতা বাড়াতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্মও চালু করা হবে। সরকার বিমান চলাচল খাতকে আধুনিকীকরণের জন্য বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে টার্মিনাল সুবিধার সম্প্রসারণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে রানওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি। এছাড়াও, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষের দিকে, যা বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করবে। একটি নিরাপদ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক বিমান চলাচল খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার যাত্রী পরিষেবার আধুনিকীকরণ, কার্গো ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা মান উন্নয়ন এবং ডিজিটাল পরিষেবা সম্প্রসারণের উপর জোর দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফুটবল বিশ্বকাপের লড়াই শুরু আজ, চোখ এখন ৪৮ দেশের মহাযুদ্ধে

চার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার ঘোষণা, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

বাণিজ্য, পরিবহন এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার দেশের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর—রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর এবং সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি, একটি সমন্বিত ডিজিটাল লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম চালু করার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা জানাতে গিয়ে এই তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে একটি আধুনিক আঞ্চলিক বিমান চলাচল কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও পরিবহন নেটওয়ার্কে দেশের অবস্থানকে শক্তিশালী করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় একটি জাতীয় বিমান সংযোগ গ্রিড স্থাপন, নতুন আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার তৈরি এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে সমন্বিত যাত্রী ও লজিস্টিকস কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রবেশদ্বার হিসেবে রূপান্তরের পাশাপাশি পণ্যের নির্বিঘ্ন চলাচল সহজ করতে, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করতে এবং বাণিজ্য দক্ষতা বাড়াতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্মও চালু করা হবে। সরকার বিমান চলাচল খাতকে আধুনিকীকরণের জন্য বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে রয়েছে যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে টার্মিনাল সুবিধার সম্প্রসারণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু এবং সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে রানওয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি। এছাড়াও, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষের দিকে, যা বিমানবন্দরের সক্ষমতা ও যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করবে। একটি নিরাপদ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক বিমান চলাচল খাত গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার যাত্রী পরিষেবার আধুনিকীকরণ, কার্গো ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ, বিমান চলাচলের নিরাপত্তা মান উন্নয়ন এবং ডিজিটাল পরিষেবা সম্প্রসারণের উপর জোর দিচ্ছে।