ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

কক্সবাজারে ডাকাতির পর মা-মেয়ের গণধর্ষণ, আটক ৬

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরি উপজেলায় এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দল নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের পর গৃহকর্তার স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের ডলুনিঘোনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যানুসারে, ৭-৮ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল প্রথমে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। লুটপাটের পর ডাকাতরা গৃহবধূর স্ত্রী ও তার মেয়েকে গণধর্ষণ করে। ঘটনার পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় সন্দেহভাজন ৬ ব্যক্তিকে আটক করেছে।

ভুক্তভোগী মা ও মেয়েকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ ও থানার ওসি মনির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আটককৃতরা হলেন মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ তারেক, কেফায়েত হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ তানজিদ ও রেজাউল করিম। তারা সবাই মাতামুহুরি উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

কক্সবাজারে ডাকাতির পর মা-মেয়ের গণধর্ষণ, আটক ৬

আপডেট সময় : ০৭:১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরি উপজেলায় এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাত দল নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের পর গৃহকর্তার স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের ডলুনিঘোনা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যানুসারে, ৭-৮ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল প্রথমে বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তারা অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। লুটপাটের পর ডাকাতরা গৃহবধূর স্ত্রী ও তার মেয়েকে গণধর্ষণ করে। ঘটনার পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় সন্দেহভাজন ৬ ব্যক্তিকে আটক করেছে।

ভুক্তভোগী মা ও মেয়েকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ ও থানার ওসি মনির হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আটককৃতরা হলেন মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ তারেক, কেফায়েত হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ তানজিদ ও রেজাউল করিম। তারা সবাই মাতামুহুরি উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও ধরতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।