পরকীয়া ও তালাক না দিয়ে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ের অভিযোগে ক্রিকেটার নাসির হোসেন এবং তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার রায় আগামী বুধবার ঘোষণা করা হবে। ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জশিতা ইসলামের আদালত এই রায় দেবেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, যদি নাসির হোসেন দোষী সাব্যস্ত হন, তবে দণ্ডবিধির দুটি ধারায় তার সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। অন্যদিকে, তামিমা সুলতানা দোষী প্রমাণিত হলে দণ্ডবিধির তিনটি ধারায় তার ২১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।
গত ৬ মে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত বলে দাবি করেন। তবে নাসিরের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু এবং তামিমার আইনজীবী মোসলেহ উদ্দিন জসীম অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে তাদের খালাস প্রার্থনা করেন। শুনানির পর আদালত রায় ঘোষণার জন্য ১০ জুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানার সঙ্গে রাকিব হাসানের বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা অবস্থাতেই ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা সুলতানা ক্রিকেটার নাসির হোসেনকে বিয়ে করেন। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নাসির ও তামিমার বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি রাকিবের নজরে আসে। এরপর একই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমান তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আদালত নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
রিপোর্টারের নাম 






















