ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না হলেও এটি খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিমিত পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন ব্যক্তি প্রতিদিন মাঝারি আকারের একটি ছোট আম বা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ গ্রাম পাকা আম খেতে পারেন। আমে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা রক্তে শর্করার মাত্রা কিছুটা বাড়াতে পারে, তবে এতে থাকা ফাইবার (আঁশ) এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এই মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এমনকি এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতাও বাড়াতে পারে।
ভরা পেটে বা ভারী খাবারের পরপরই মিষ্টি আম খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। সকালের নাস্তা এবং দুপুরের খাবারের মাঝামাঝি সময়ে আম খাওয়া সবচেয়ে ভালো। আম খাওয়ার সময় রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা যেন দ্রুত বৃদ্ধি না পায়, সেজন্য এর সঙ্গে কিছু বাদাম (যেমন কাঠবাদাম), শসা বা স্প্রাউট জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে।
পাকা আমের জুস, পুডিং বা ডেজার্ট বানিয়ে খাওয়ার চেয়ে সরাসরি ফল হিসেবে টুকরো করে খাওয়া বেশি উপকারী। যেদিন আম খাওয়া হবে, সেদিন সকালের নাস্তা বা দুপুরের খাবারে ভাত বা রুটির পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দেওয়া উচিত। এই নিয়মগুলো মেনে চললে ডায়াবেটিস রোগীরাও আমের স্বাদ উপভোগ করতে পারবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























