মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সুদহার বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উচ্চ সুদের কারণে ব্যবসায়ীরা নতুন করে বিনিয়োগে যেতে আগ্রহী হচ্ছেন না। অন্যদিকে, সুদহার সীমা তুলে দেওয়ার পর ব্যাংকগুলোতে আমানতের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেলেও, সেই তুলনায় বিনিয়োগ করতে পারছে না ব্যাংকগুলো। এর ফলে ব্যাংক খাতে অলস টাকার পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে।
পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, ব্যাংকগুলো তাদের অতিরিক্ত তারল্য চাহিদা অনুযায়ী সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ড, কল মানি বা অন্য ব্যাংকে জমা রাখতে পারছে না। কিছু ব্যাংক অতিরিক্ত আমানত নিয়ে সমস্যায় পড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাস শেষে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য তিন লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৮.৩১ শতাংশ বেশি। গত বছরের মার্চে এই পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চ সুদের হারের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে গেছে। পাশাপাশি, বর্তমান পরিস্থিতিতে ঋণ প্রদানে ব্যাংকগুলো সতর্ক হওয়ায় তাদের হাতে অলস টাকার পরিমাণ বাড়ছে। মার্চ মাসে ব্যাংকগুলোর মোট তারল্য সাত লাখ দুই হাজার ৫৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যেখানে প্রয়োজন ছিল তিন লাখ ১৬ হাজার ৬৫ কোটি টাকা। প্রয়োজনীয়তা স্ট্যাচুটরি লিকুইডিটি রেশিও (এসএলআর) এবং ক্যাশ রিজার্ভ রেশিও (সিআরআর) বজায় রাখার পর অতিরিক্ত তারল্য হিসাব করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 

























