জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দ্বীন কায়েমের আন্দোলনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করা মুমিনের জন্য নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাতের মতোই ফরজ। তিনি উল্লেখ করেন, এই আন্দোলনে যদি নিজের সবকিছু হারাতে হয়, এমনকি জীবনও উৎসর্গ করতে হয়, তবে জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের নেতাকর্মী সেজন্য প্রস্তুত রয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মতিঝিল-শাহজাহানপুর রুকন শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীতে দলীয় লেজুড়বৃত্তিকের সুযোগ নেই; একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জামায়াতে ইসলামী দ্বীন কায়েমের আন্দোলনে শামিল হওয়ার দাওয়াত দিয়ে থাকে।
মিয়া গোলাম পরওয়ার উপস্থিত রুকনদের উদ্দেশে বলেন, জামায়াতে ইসলামী দলীয় নিবন্ধনের আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন ‘রুকন’ শব্দ বাদ দিয়ে ‘সদস্য’ লেখার প্রস্তাব করেছিল। কিন্তু তারা সদস্য ও রুকনের মধ্যকার পার্থক্য বোঝেনি। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের আইনের বাধ্যবাধকতায় জামায়াতে ইসলামী ‘সদস্য’ শব্দটি যুক্ত করলেও রুকনদের সম্মান বজায় রাখতে ‘সদস্য’ শব্দের সামনে ব্র্যাকেটে ‘রুকন’ শব্দ বহাল রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, রুকন (সদস্য) শব্দটি সাধারণ কোনো শব্দ নয়; যারা আল্লাহর সঙ্গে শপথবদ্ধ তারা রুকন। রুকনদের মর্যাদা ও সম্মান আল্লাহ দান করবেন, আর এই মর্যাদা ও সম্মান পেতে হলে শপথের পর নিজেকে অটুট রাখতে হবে।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, মতিঝিল-শাহজাহানপুর জোন পরিচালক মুহাম্মদ শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি এবং দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে দারসুল কুরআন পেশ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. আব্দুস সামাদ। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















