ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে সামুদ্রিক প্রাণীদের গণনিধন, তীব্র নিন্দা

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নামে ভয়াবহভাবে ৭ শতাধিক তিমি ও ডলফিন হত্যা করা হয়েছে। এক দিনেই চালানো এই নিষ্ঠুর অভিযানে সাগরের পানি রক্তে লাল হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা হুক ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে আটলান্টিক হোয়াইট-সাইডেড ডলফিন এবং লং-ফিনড পাইলট তিমিদের অগভীর উপসাগরে আটকে ফেলে এই হত্যাকাণ্ড চালায়।

পরিবেশবাদী সংস্থা সী শেফার্ডের তথ্যমতে, এই ঘটনায় ৭০৬টি সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি এই হত্যাকাণ্ডকে নজিরবিহীন এবং অমানবিক বলে আখ্যা দিয়েছে। বিশেষ করে ডলফিন মারার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে অনেক প্রাণীকে দীর্ঘ সময় ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয়েছে। এই প্রাচীন প্রথা বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছেন প্রাণী অধিকার কর্মীরা। যদিও স্থানীয়দের দাবি এটি তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, তবে আধুনিক সভ্যতায় এমন নৃশংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় হামাসের শাসন কাঠামো বিলুপ্তির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ

ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে সামুদ্রিক প্রাণীদের গণনিধন, তীব্র নিন্দা

আপডেট সময় : ০৩:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নামে ভয়াবহভাবে ৭ শতাধিক তিমি ও ডলফিন হত্যা করা হয়েছে। এক দিনেই চালানো এই নিষ্ঠুর অভিযানে সাগরের পানি রক্তে লাল হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা হুক ও ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করে আটলান্টিক হোয়াইট-সাইডেড ডলফিন এবং লং-ফিনড পাইলট তিমিদের অগভীর উপসাগরে আটকে ফেলে এই হত্যাকাণ্ড চালায়।

পরিবেশবাদী সংস্থা সী শেফার্ডের তথ্যমতে, এই ঘটনায় ৭০৬টি সামুদ্রিক প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি এই হত্যাকাণ্ডকে নজিরবিহীন এবং অমানবিক বলে আখ্যা দিয়েছে। বিশেষ করে ডলফিন মারার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে অনেক প্রাণীকে দীর্ঘ সময় ধুঁকে ধুঁকে মরতে হয়েছে। এই প্রাচীন প্রথা বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক মহলের প্রতি জোরালো দাবি জানিয়েছেন প্রাণী অধিকার কর্মীরা। যদিও স্থানীয়দের দাবি এটি তাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, তবে আধুনিক সভ্যতায় এমন নৃশংসতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।