দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পাহাড় যেন থামছেই না। সব ধরনের নীতি সহায়তা ও পুনঃতফসিলের সুযোগ দেওয়ার পরেও খেলাপি ঋণের লাগাম টানা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে (২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে) দেশে শ্রেণিকৃত ঋণ বেড়েছে প্রায় ৩১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে দেশের ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ও শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট ঋণের প্রায় ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশই সমস্যাগ্রস্ত। অর্থাৎ ব্যাংকের বিতরণ করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে ৩২ টাকার বেশি এখন ফেরত পাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা একে পুরো অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের সংকেত হিসেবে দেখছেন। ঋণের একটি বিশাল অংশ আটকে থাকায় নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে ব্যাংকগুলো। এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের হার প্রায় ৮ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পাওয়া সামগ্রিক আর্থিক খাতের দুর্বলতাকে আরও প্রকট করে তুলেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























