বিগত যুদ্ধকালীন কঠিন পরিস্থিতিতেও ইরানের তেল শিল্পের উৎপাদন, উন্নয়ন ও রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় তেল কোম্পানির (এনআইওসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদ বোর্দ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, হামিদ বোর্দ জানান, যুদ্ধ চলাকালেই একটি সমুদ্রস্থ তেল প্ল্যাটফর্ম সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। একই সময়ে দেশের তেল রপ্তানিও কোনো ধরনের বাধা ছাড়াই অব্যাহত ছিল। তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের প্ল্যাটফর্মগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্যাস উৎপাদন চলেছে। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্মগুলোর বড় ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত শোধনাগারগুলোতে নিরাপদে ধ্বংসস্তূপ অপসারণের কাজও সম্পন্ন করা হয়েছে।
বোর্ড জানান, বিগত ১২ দিনের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ফেজ-১৪ শোধনাগার পুনর্গঠনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পার্স অয়েল অ্যান্ড গ্যাস কোম্পানি সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য শোধনাগার পুনর্নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, যুদ্ধকালীন সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে জাতীয় তেল কোম্পানির অনেক কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়নি। কারণ, এটি ছিল জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য নেওয়া একটি সচেতন ও পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত।
জাতীয় তেল কোম্পানির প্রধানের মতে, যুদ্ধের মধ্যেও তেল ও গ্যাস উৎপাদন, বিভিন্ন অপারেশনাল এলাকা, সমুদ্রস্থ প্ল্যাটফর্ম এবং তেল-গ্যাস স্থাপনাগুলো সচল রাখা ইরানের তেল শিল্পের সংকট মোকাবিলার সক্ষমতার প্রমাণ। তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতি দায়িত্ব পালনে তেল শিল্পের কর্মীরা অসাধারণ নিষ্ঠা, আত্মত্যাগ ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। তাদের প্রচেষ্টার ফলেই সবচেয়ে কঠিন সময়েও ইরান উৎপাদন, উন্নয়ন এবং টেকসই জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























