ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

থ্যালাসেমিয়া এবং অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য দেশব্যাপী একটি সুসংগঠিত ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এসব রোগীদের শতভাগ সুস্থ করা সম্ভব না হলেও তাদের ও তাদের পরিবারকে মানসিক সমর্থন ও আশার আলো দেখানো অত্যন্ত জরুরি।

রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে শুক্রবার বিকেলে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি (বিটিএস) এই সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বিটিএসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রক্তদাতা ব্যক্তি ও রক্তদান কার্যক্রমে জড়িত প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা জানানো হয়।

ডা. জুবাইদা রহমান থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গর্ভকালীন সময়েও এই রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। যেকোনো বয়সেই স্ক্রিনিং টেস্টের মাধ্যমে রোগটি ধরা পড়ে। তিনি দেশব্যাপী থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও পরামর্শ দেন, সরকার যখন এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করবে, তখন তাদের থ্যালাসেমিয়া রোগের উপসর্গ, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগীদের মানসিক সমর্থন দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত হওয়া রোগীদের চিকিৎসার ধরন ও পরিচর্যার সুবিধার্থে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করারও পরামর্শ দেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রিশালে ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে গিয়ে দুই সহোদরের মর্মান্তিক সলিলসমাধি

থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের

আপডেট সময় : ১০:১০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

থ্যালাসেমিয়া এবং অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্তদের জন্য দেশব্যাপী একটি সুসংগঠিত ডেটাবেজ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রখ্যাত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এসব রোগীদের শতভাগ সুস্থ করা সম্ভব না হলেও তাদের ও তাদের পরিবারকে মানসিক সমর্থন ও আশার আলো দেখানো অত্যন্ত জরুরি।

রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইবি) মিলনায়তনে শুক্রবার বিকেলে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি (বিটিএস) এই সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বিটিএসের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলামসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রক্তদাতা ব্যক্তি ও রক্তদান কার্যক্রমে জড়িত প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা জানানো হয়।

ডা. জুবাইদা রহমান থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গর্ভকালীন সময়েও এই রোগ শনাক্ত করা সম্ভব। যেকোনো বয়সেই স্ক্রিনিং টেস্টের মাধ্যমে রোগটি ধরা পড়ে। তিনি দেশব্যাপী থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া প্রসারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও পরামর্শ দেন, সরকার যখন এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করবে, তখন তাদের থ্যালাসেমিয়া রোগের উপসর্গ, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগীদের মানসিক সমর্থন দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খ প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত হওয়া রোগীদের চিকিৎসার ধরন ও পরিচর্যার সুবিধার্থে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করারও পরামর্শ দেন তিনি।