ঢাকা ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

খুলনার পাইকগাছায় তাঁবুর নিচে পাঠদান: অনিশ্চিত কোমলমতিদের ভবিষ্যৎ

খুলনার পাইকগাছায় শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা তাঁবুর নিচে পাঠদান নিতে বাধ্য হচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। রোদ, বৃষ্টি আর প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে পাঠগ্রহণে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

উপজেলার ২৪ নম্বর মটবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে এভাবেই তাঁবুর নিচে পাঠদান করানো হচ্ছে। আকাশে মেঘ জমলেই তাদের চোখে-মুখে নেমে আসে শঙ্কা, কখন বৃষ্টিতে ভিজে যাবে বই-খাতা। বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র পাঁচটি শ্রেণিকক্ষ থাকায় এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আবিদা হোসেন নাবিলা জানায়, বৃষ্টি শুরু হলে তাঁবুর ভেতরে পানি ঢুকে বই-খাতা ভিজে যায় এবং অনেক সময় ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়। রোদে প্রচণ্ড গরম লাগায় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুষমা রানি মণ্ডল জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে এক শিফটে সব শ্রেণির পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। বাধ্য হয়ে নতুন ভবনের খোলা ছাদের নিচে তাঁবু টানিয়ে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির কারণ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে গণমাধ্যমে আস্থার সংকট তীব্র, বহু সাংবাদিকের চাকরিচ্যুতি

খুলনার পাইকগাছায় তাঁবুর নিচে পাঠদান: অনিশ্চিত কোমলমতিদের ভবিষ্যৎ

আপডেট সময় : ০৪:২৬:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

খুলনার পাইকগাছায় শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা তাঁবুর নিচে পাঠদান নিতে বাধ্য হচ্ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। রোদ, বৃষ্টি আর প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে খোলা আকাশের নিচে পাঠগ্রহণে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

উপজেলার ২৪ নম্বর মটবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে এভাবেই তাঁবুর নিচে পাঠদান করানো হচ্ছে। আকাশে মেঘ জমলেই তাদের চোখে-মুখে নেমে আসে শঙ্কা, কখন বৃষ্টিতে ভিজে যাবে বই-খাতা। বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে মাত্র পাঁচটি শ্রেণিকক্ষ থাকায় এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আবিদা হোসেন নাবিলা জানায়, বৃষ্টি শুরু হলে তাঁবুর ভেতরে পানি ঢুকে বই-খাতা ভিজে যায় এবং অনেক সময় ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়। রোদে প্রচণ্ড গরম লাগায় পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুষমা রানি মণ্ডল জানান, শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে এক শিফটে সব শ্রেণির পাঠদান পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। বাধ্য হয়ে নতুন ভবনের খোলা ছাদের নিচে তাঁবু টানিয়ে পাঠদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির কারণ হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি দ্রুত নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।