মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া প্রস্তাব, যেখানে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনও শান্তি চুক্তির আগে পাকিস্তানসহ অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে, তা প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, দুই দেশের আদর্শ সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এই প্রস্তাব গ্রহণ করা সম্ভব নয়।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে জানান যে, পাকিস্তানি পাসপোর্টে ইসরায়েলের নাম উল্লেখ না করার বিষয়ে পাকিস্তানের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানই বিশ্বের একমাত্র দেশ যার পাসপোর্টে ইসরায়েলকে বৈধ গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করা হয় না। প্রতিটি পাকিস্তানি পাসপোর্টে লেখা থাকে: ‘এটি ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ’। পাকিস্তানের এই নীতি পরিবর্তন করতে হলে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দিয়ে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে হবে, যেখানে দূতাবাস খোলা, বাণিজ্য, ভ্রমণ ও ভিসা চুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
খাজা আসিফ এই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রস্তাবকে ‘মৌলিক আদর্শের সংঘাত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, যাদের কথা একদিনের জন্যও বিশ্বাস করা যায় না, তাদের সঙ্গে কীভাবে বসবেন? তিনি আরও জানান, এর আগেও পাকিস্তান ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের ‘গাজা বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দেওয়ার সময় আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ হওয়ার বিষয়টি ‘স্পষ্টভাবে নাকচ’ করে দিয়েছিল। ট্রাম্প মূলত যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনও চুক্তির আগে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ ছয়টি দেশকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়ার শর্ত দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















