ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১ জন খালাস

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলী নামে এক আসামিকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। তারা সবাই বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ২৫ মে গভীর রাতে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই দৃষ্টান্তমূলক রায় সমাজে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি: জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৬ শতাংশে

জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১ জন খালাস

আপডেট সময় : ০৫:২০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জামালপুরের বকশীগঞ্জে এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইদ্রিস আলী নামে এক আসামিকে মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—পাপ্পু, বিজু, বাদশা, জুয়েল, আশরাফুল, জসিম ও আসমত। তারা সবাই বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, গত বছরের ২৫ মে গভীর রাতে ইজিবাইকে করে বাড়ি ফেরার পথে ওই গৃহবধূকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। পরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তাকে পালাক্রমে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত এই রায় প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই দৃষ্টান্তমূলক রায় সমাজে অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।