ঢাকা ০৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আদায়ে বড় ধস, ঘাটতি ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা

দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায়ের পরিমাণ প্রায় ৪২ শতাংশ কম হওয়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরটিতে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য মন্দা লক্ষ্য করা গেছে।

কাস্টমস হাউসের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। তবে বছর শেষে আদায় হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ২৯ কোটি টাকা, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা বেশি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আদায় কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে।

ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্যের আমদানি কমে যাওয়া এবং শিল্পের কাঁচামাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় রাজস্বে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ওজন নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে অনিয়ম কমিয়ে রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যস্ফীতিতে কিছুটা স্বস্তি: জুনে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.১৬ শতাংশে

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আদায়ে বড় ধস, ঘাটতি ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৫:২২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সরকারি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় আদায়ের পরিমাণ প্রায় ৪২ শতাংশ কম হওয়ায় ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বন্দরটিতে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য মন্দা লক্ষ্য করা গেছে।

কাস্টমস হাউসের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা। তবে বছর শেষে আদায় হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। এর আগের অর্থবছরে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ২৯ কোটি টাকা, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় ৪৭০ কোটি টাকা বেশি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রাজস্ব আদায় কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে।

ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মতে, উচ্চ শুল্কযুক্ত পণ্যের আমদানি কমে যাওয়া এবং শিল্পের কাঁচামাল ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় রাজস্বে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ওজন নির্ধারণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে অনিয়ম কমিয়ে রাজস্ব বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।