মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত জোরদার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিগত সরকারের আমলে নির্ধারিত ফি-র চেয়ে কয়েক গুণ অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মাধ্যমে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১০০টি এজেন্সির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২ শতাধিক ব্যক্তির সম্পদের হিসাব তলব করা হয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত এজেন্সি মালিকদের ব্যক্তিগত ও বেনামি সম্পদের খোঁজে ২১৩ জনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তি ইতোমধ্যে তাদের সম্পদের বিবরণী জমা দিয়েছেন, যা বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ কর্মীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পাচার বা অবৈধ সম্পদ গড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। শ্রমবাজারের এই দুর্নীতি রোধে এবং দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনতে দুদক কয়েক ধাপে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
রিপোর্টারের নাম 



















