নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১০০ দিনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নতুন করে ঢালাওভাবে কোনো বিচার বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং, পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া রাজনৈতিক ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো পর্যালোচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে আইন ও তথ্য মন্ত্রণালয়। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে এবং কোনো সাংবাদিককে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আইনি হয়রানি করা হবে না।
তবে, হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগের মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে আটক থাকা সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে তদন্ত কর্মকর্তারা এখনও কোনো চার্জশিট দাখিল করেননি। একটি সাংবাদিক সংগঠনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পূর্ববর্তী সরকারের পতনের পর থেকে সারা দেশে প্রায় ৫ শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে প্রায় ৪৭ জন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া, ১৩ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে, প্রায় ১২০০ সাংবাদিক চাকরিচ্যুত হয়েছেন, এবং ১৬৮ জনের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল করা হয়েছে।
জাতীয় প্রেসক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন প্রেসক্লাবের ৭ শতাধিক সাংবাদিকের সদস্যপদ স্থগিত ও বাতিল করা হয়েছে। অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং অর্ধশতাধিক সাংবাদিকের ব্যাংক হিসাব অবৈধভাবে বন্ধ রাখার অভিযোগও রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন গণমাধ্যমে দীর্ঘকাল ধরে দায়িত্ব পালন করা উল্লেখযোগ্য সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন যারা একটি আন্দোলন চলাকালে হত্যা-চাঁদাবাজিসহ একাধিক অভিযোগের মামলায় কারাগারে আছেন। এর মধ্যে রয়েছেন শাকিল আহমেদ, ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল হক বাবু, শ্যামল দত্ত এবং মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথী। বিশেষ আইনে পুনর্গঠিত একটি ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় পৃথকভাবে ৩২ জন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়নি।
রিপোর্টারের নাম 

























