ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধামরাইয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে সংগতি রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার সকালে ধামরাই সদর ইউনিয়নের শরীফ ভাগ এলাকায় নারী-পুরুষ মিলে প্রায় ৫০ জন একসঙ্গে ১২ তাকবিরে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।

নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এর আগে শরীফভাগ এলাকার মানুষ ঢাকার পূর্বাচলে নামাজ আদায় করতে যেতেন। তবে গত পাঁচ বছর ধরে এই এলাকাতেই পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম দিকে নামাজ আদায় করতে কিছু বাধার সম্মুখীন হলেও এখন আর তেমন কোনো সমস্যা হয় না বলেও তারা জানান।

মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী বলেন, তিনি প্রায় ২০০০ সাল থেকে তার নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে ঈদুল আজহার সালাত আদায় করিয়ে আসছেন। তার গ্রামের মানুষ, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এতে অংশ নেয়। তিনি আরও জানান, ময়মনসিংহ, জামালপুর, গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানেও তিনি ঈদুল আজহার সালাত আদায় করিয়েছেন। ধামরাইয়ের শরীফবাগ কেন্দ্রীয় এলাকা থেকেও তাকে ঈদুল আজহার সালাত আদায়ের জন্য দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।

মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী জোর দিয়ে বলেন, তিনি একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির জন্য ঈদুল আজহার সালাত আদায় করেন, কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। তিনি বিশ্বাস করেন, আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী সৃষ্টি জগত পরিচালিত হয়, তাই তিনি সেই বিধান মেনেই কাজ করছেন। তিনি প্রত্যাশা করেন, যুবক, মুরব্বি এবং আলেম-ওলামারা বিষয়টি উপলব্ধি করবেন এবং সত্য ও সঠিক পথ অনুসরণ করবেন।

নামাজে অংশ নেওয়া ষাটোর্ধ্ব আব্দুল আজিজ নামে এক মুসল্লি বলেন, চাঁদের সঙ্গে ইবাদত-বন্দেগি আর সূর্যের সঙ্গে সময়-কাল চলে। যেমন আরাফার রোজা—সারা বিশ্বই রোজা রাখছে, কিন্তু যার যার সময় অনুযায়ী ইফতার করছে। সূর্য-চাঁদের হিসাবেই সবকিছু হয়। তিনি আরও বলেন, আল্লাহর হুকুমেই চাঁদ চলে, আর আল্লাহরই বিধান মানা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ধামরাইয়ে ঈদুল আজহা উদযাপন

আপডেট সময় : ০১:২৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

সৌদি আরবের সঙ্গে সংগতি রেখে ঢাকার ধামরাইয়ে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বুধবার সকালে ধামরাই সদর ইউনিয়নের শরীফ ভাগ এলাকায় নারী-পুরুষ মিলে প্রায় ৫০ জন একসঙ্গে ১২ তাকবিরে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন।

নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী। আয়োজক কমিটি জানিয়েছে, এর আগে শরীফভাগ এলাকার মানুষ ঢাকার পূর্বাচলে নামাজ আদায় করতে যেতেন। তবে গত পাঁচ বছর ধরে এই এলাকাতেই পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম দিকে নামাজ আদায় করতে কিছু বাধার সম্মুখীন হলেও এখন আর তেমন কোনো সমস্যা হয় না বলেও তারা জানান।

মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী বলেন, তিনি প্রায় ২০০০ সাল থেকে তার নিজ এলাকা সিরাজগঞ্জে ঈদুল আজহার সালাত আদায় করিয়ে আসছেন। তার গ্রামের মানুষ, আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এতে অংশ নেয়। তিনি আরও জানান, ময়মনসিংহ, জামালপুর, গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানেও তিনি ঈদুল আজহার সালাত আদায় করিয়েছেন। ধামরাইয়ের শরীফবাগ কেন্দ্রীয় এলাকা থেকেও তাকে ঈদুল আজহার সালাত আদায়ের জন্য দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল।

মাওলানা আব্দুল গফুর সিরাজী জোর দিয়ে বলেন, তিনি একমাত্র আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টির জন্য ঈদুল আজহার সালাত আদায় করেন, কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে নয়। তিনি বিশ্বাস করেন, আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী সৃষ্টি জগত পরিচালিত হয়, তাই তিনি সেই বিধান মেনেই কাজ করছেন। তিনি প্রত্যাশা করেন, যুবক, মুরব্বি এবং আলেম-ওলামারা বিষয়টি উপলব্ধি করবেন এবং সত্য ও সঠিক পথ অনুসরণ করবেন।

নামাজে অংশ নেওয়া ষাটোর্ধ্ব আব্দুল আজিজ নামে এক মুসল্লি বলেন, চাঁদের সঙ্গে ইবাদত-বন্দেগি আর সূর্যের সঙ্গে সময়-কাল চলে। যেমন আরাফার রোজা—সারা বিশ্বই রোজা রাখছে, কিন্তু যার যার সময় অনুযায়ী ইফতার করছে। সূর্য-চাঁদের হিসাবেই সবকিছু হয়। তিনি আরও বলেন, আল্লাহর হুকুমেই চাঁদ চলে, আর আল্লাহরই বিধান মানা হয়।