রাজনৈতিক সভা বা জনসমক্ষে কোনো ব্যক্তির ওপর ডিম ছোড়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাবশালী রাজনীতিক থেকে শুরু করে রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতিও এই ধরনের প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেছে। সস্তা, সহজলভ্য এবং খুব বেশি শারীরিক ক্ষতির কারণ না হলেও এটি জনসমক্ষে কাউকে চরমভাবে বিব্রত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, ডিম ছোড়া কেবল একটি শারীরিক আক্রমণ নয়, বরং এটি একটি প্রতীকী বার্তা। এর মাধ্যমে সাধারণত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি ঘৃণা বা প্রত্যাখ্যানের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো হয়। মাছ বা মাংসের মতো খাবারগুলো ভারী এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় ডিমকেই প্রতিবাদের অস্ত্র হিসেবে বেছে নেন বিক্ষোভকারীরা। তবে মনে রাখতে হবে, অনেক দেশেই এই ধরনের কর্মকাণ্ড জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার দায়ে অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























