প্রতিদিন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্যাশিশুর ওপর নির্যাতন, নিপীড়ন কিংবা হত্যাকাণ্ডের খবর আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। প্রতিটি ঘটনার সাথে একটি নিষ্পাপ জীবন ঝরে পড়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রের মানবিক ও বিচারিক সক্ষমতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের কান্নায় আমাদের বিচারহীনতার সংস্কৃতির চরম বাস্তবতা বারবার ফুটে ওঠে।
দেশে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০’ এবং ‘শিশু আইন, ২০১৩’-এর মতো শক্তিশালী আইন থাকার পরেও কেন কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না, তা এখন বড় প্রশ্ন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শিশু নির্যাতনের অভিযোগ ও হত্যার হার উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। আইনি কাঠামোর সীমাবদ্ধতা এবং তদন্ত কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও জেন্ডার-সংবেদনশীলতার অভাব বিচারপ্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছে। এছাড়া ফরেনসিক ল্যাবের অপ্রতুলতা এবং সাক্ষী সুরক্ষা ব্যবস্থার অভাবে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে, যা অপরাধ প্রবণতাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























