আইনি সুরক্ষা থাকার পরেও বাংলাদেশে পারিবারিক সহিংসতার হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। অর্থনৈতিক টানাপোড়েন ও সামাজিক রক্ষণশীলতার বেড়াজালে আটকা পড়ে অনেক নারী প্রতিনিয়ত নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। কর্মজীবী নারীরাও এর বাইরে নন; বরং অনেক ক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সঙ্গীর রোষানলে পড়ার ঘটনা বেশি ঘটছে। কামরুন নেছার (ছদ্মনাম) মতো অসংখ্য নারী সংসারের হাল ধরতে গিয়ে কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পার করলেও ঘরে ফিরে পাচ্ছেন না নিরাপত্তার নিশ্চয়তা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, আইনি ব্যবস্থার চেয়েও সামাজিক অবক্ষয় এবং ‘সংসার ভেঙে যাওয়ার ভয়’ নারীদের মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করছে। সন্তানদের ভবিষ্যৎ ও সমাজের কুদৃষ্টির ভয়ে অধিকাংশ নারীই মুখ বুজে নির্যাতন সহ্য করছেন। পরিবার থেকেও প্রায়ই সংহতি বা আইনি সহায়তার পরিবর্তে ‘মানিয়ে নেওয়ার’ পরামর্শ দেওয়া হয়, যা সহিংসতাকে আরও উসকে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পারিবারিক সহিংসতা কেবল ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক ও কাঠামোগত সংকটের একটি জটিল রূপ, যা নিরসনে কেবল আইন যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন সামাজিক মানসিকতার ব্যাপক পরিবর্তন।
রিপোর্টারের নাম 

























