ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির দাবি ১৫৬ সংগঠনের

দেশে ক্রমবর্ধমান নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা ১৫৬টি সংগঠন। এসব জঘন্য অপরাধকে ‘জাতীয় জরুরি ইস্যু’ হিসেবে ঘোষণা করে সরকারের পক্ষ থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানবাধিকার কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট মনে করে, কেবল আইন থাকলেই হবে না, বরং তার সঠিক প্রয়োগই পারে সমাজ থেকে সহিংসতা কমাতে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রতিনিধিরা ১৭ দফা দাবি পেশ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা, ভুক্তভোগীদের আইনি সুরক্ষার পাশাপাশি মানসিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশেষ আইন প্রণয়ন। এছাড়াও, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কঠোর নজরদারি ও সহিংসতা রোধে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আড়াইহাজারে চাঁদাবাজি ও হয়রানির অভিযোগে এসআইকে ক্লোজড, পুলিশ লাইনে সংযুক্ত

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির দাবি ১৫৬ সংগঠনের

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

দেশে ক্রমবর্ধমান নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা ১৫৬টি সংগঠন। এসব জঘন্য অপরাধকে ‘জাতীয় জরুরি ইস্যু’ হিসেবে ঘোষণা করে সরকারের পক্ষ থেকে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নের জোর দাবি জানানো হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানবাধিকার কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট মনে করে, কেবল আইন থাকলেই হবে না, বরং তার সঠিক প্রয়োগই পারে সমাজ থেকে সহিংসতা কমাতে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রতিনিধিরা ১৭ দফা দাবি পেশ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা, ভুক্তভোগীদের আইনি সুরক্ষার পাশাপাশি মানসিক সহায়তা ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশেষ আইন প্রণয়ন। এছাড়াও, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কঠোর নজরদারি ও সহিংসতা রোধে সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।