ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

দেশে বাড়ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি: টিকাদানে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমাতে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে টিকাদানের ঘাটতি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা ওষুধের কার্যকারিতা হারানোর ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। টিকাকে কেবল রোগ প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে না দেখে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি প্রধান কৌশল হিসেবে বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, টিকার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজনীয়তা কমে আসে, যা পরোক্ষভাবে সুপারবাগ বা ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে। বিশেষ করে বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবার্তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চিকিৎসা ব্যয় উভয়ই কমানো সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চক্ষু সেবায় বিএনএসবি ও সিইআইটিসির অবদান: বার্ষিক সাধারণ সভায় অগ্রগতি পর্যালোচনা

দেশে বাড়ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি: টিকাদানে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৩:৪১:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

বাংলাদেশে সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার কমাতে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে টিকাদানের ঘাটতি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা ওষুধের কার্যকারিতা হারানোর ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। টিকাকে কেবল রোগ প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে না দেখে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার একটি প্রধান কৌশল হিসেবে বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, টিকার মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজনীয়তা কমে আসে, যা পরোক্ষভাবে সুপারবাগ বা ওষুধ-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধ করে। বিশেষ করে বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই সতর্কবার্তা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে টিকাদান নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চিকিৎসা ব্যয় উভয়ই কমানো সম্ভব হবে।