ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ২৬

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৬ জনের মৃত্যু হলো। বুধবার দুপুরে হাসপাতাল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মৃত শিশুরা হলো— পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া এলাকার মো. মনিরুজ্জামানের সাড়ে চার মাস বয়সী ছেলে আলী আজগর এবং পটুয়াখালীর রাহাত গাজীর তিন মাস বয়সী ছেলে মুয়াজ।

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির গণমাধ্যমকে জানান, আলী আজগর ১৭ মে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। মুয়াজ ১৮ মে ভর্তি হয়েছিল। তারা স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ না হওয়ায় পরে হাসপাতালে আসে। তিনি আরও বলেন, “আমাদের সবসময় চেষ্টা থাকে প্রতিটি রোগীকে সুস্থ করার।”

হাসপাতাল পরিচালক জানান, গত ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ৩৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ১৩৭ জন। মারা গেছেন ২৬ জন, যারা সবাই হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে ২০৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের মঞ্চে জ্যাকেটের হাতায় বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে সঞ্জয়

বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, মোট মৃতের সংখ্যা ২৬

আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২৬ জনের মৃত্যু হলো। বুধবার দুপুরে হাসপাতাল সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

মৃত শিশুরা হলো— পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া এলাকার মো. মনিরুজ্জামানের সাড়ে চার মাস বয়সী ছেলে আলী আজগর এবং পটুয়াখালীর রাহাত গাজীর তিন মাস বয়সী ছেলে মুয়াজ।

শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনির গণমাধ্যমকে জানান, আলী আজগর ১৭ মে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। মুয়াজ ১৮ মে ভর্তি হয়েছিল। তারা স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ না হওয়ায় পরে হাসপাতালে আসে। তিনি আরও বলেন, “আমাদের সবসময় চেষ্টা থাকে প্রতিটি রোগীকে সুস্থ করার।”

হাসপাতাল পরিচালক জানান, গত ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ৩৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ১৩৭ জন। মারা গেছেন ২৬ জন, যারা সবাই হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে হামের উপসর্গ নিয়ে ২০৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।