ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা ভারতের সীমান্ত নীতি ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা ভারতের ‘পুশ ইন’ নীতি এবং সীমান্ত হত্যার তীব্র সমালোচনা করে এটিকে ইসলাম বিদ্বেষপ্রসূত বলে আখ্যায়িত করেন। বক্তারা প্রশ্ন তোলেন, ভারতের বর্তমান সরকার যদি ইসলাম বিদ্বেষী হয়, তবে কেন তারা শেখ হাসিনাকে পুশ ইন করছে না বা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কেন পুশ ইন করছে না? তাদের ভাষ্যমতে, ভারত পারমাণবিক বোমার ভয় দেখিয়ে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না এবং বাংলাদেশও বন্দুকের মুখে স্বাধীনতা দেখতে অভ্যস্ত, যা ভারতের মৃত্যুভয়ের বিপরীত।
রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান। এছাড়াও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হারুন সোহেল, জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জিয়া, জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, ডিভাইন কোডেকের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল্লাহ মানসুর আবির এবং জাতীয়তাবাদী চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবির বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন এতে সভাপতিত্ব করেন।
বক্তারা ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে ভারতের সঙ্গে একত্রিত করার বক্তব্যেরও কঠোর সমালোচনা করেন এবং এর ব্যাখ্যা দাবি করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ একটি যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়েছে এবং কোনো আধিপত্যবাদী বন্ধু তারা চায় না। ন্যাশনাল লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান বলেন, ভারত নিজেকে গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে দাবি করলেও বাস্তবে তারা সন্ত্রাসী ও আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র। তিনি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান, অন্যথায় জনগণ অস্ত্র হাতে তুলে নিতে এবং রাত জেগে সীমান্ত পাহারা দিতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের জনগণ স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছে এবং প্রয়োজনে ভারতকে প্রতিহত করতেও পিছপা হবে না।
রিপোর্টারের নাম 


















