ডিজিটাল যুগ ও পরিবর্তিত সামাজিক বাস্তবতায় শিশুর নিরাপত্তা এখন আর কেবল ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। অভিভাবক হিসেবে ঘরের ভেতর ধারালো বস্তু, ওষুধ বা বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি ডিজিটাল জগতের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়েও সতর্ক থাকতে হবে। স্মার্টফোনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার শিশুর মানসিক বিকাশে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, তাই স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।
বাইরের পৃথিবীতে শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাকে ‘সেফ টাচ’ ও ‘নো টাচ’-এর মতো মৌলিক বিষয়গুলো শেখানো প্রয়োজন। তবে নিরাপত্তার নামে শিশুকে অতিরিক্ত শাসন বা ভীতির মধ্যে রাখা উচিত নয়। বরং সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা, তার অনুভূতির প্রতি গুরুত্ব দেওয়া এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমেই একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর শৈশব নিশ্চিত করা সম্ভব।
রিপোর্টারের নাম 

























