যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবরের মাঝেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আলাপে তারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন। যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি কোনও শান্তি চুক্তি না হওয়া এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই দুই নেতা নতুন করে যুদ্ধ শুরুর বিষয়ে কথা বললেন। ফোনালাপে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু ইরানে যৌথ হামলা চালিয়েছিলেন, যার ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি হয়। ফলে তাদের এই সাম্প্রতিক আলাপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইতিমধ্যে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ সমাপ্তির ঘোষণা দিলেও একটি প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে যে, মার্কিন কর্মকর্তারা এখন ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’ নামে নতুন একটি ছদ্মনামে ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছেন।
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের পরপরই নেতানিয়াহু জেরুজালেমে তার কার্যালয়ে শীর্ষ সহযোগী ও মন্ত্রীদের নিয়ে একটি জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডাকেন। এই ধরনের বৈঠকে সাধারণত দেশের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও নিরাপত্তা উপদেষ্টারা উপস্থিত থাকেন। ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার আগে নেতানিয়াহু তার সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে বলেছিলেন, ইরানের বিষয়ে আমাদের চোখ খোলা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি অবশ্যই তার চীন সফরের অভিজ্ঞতা শুনব, হয়তো অন্য কিছুও। নিশ্চিতভাবেই অনেক সম্ভাবনা রয়েছে এবং আমরা প্রতিটি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।
ফোনালাপ শেষ করেই ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন। নতুন হামলার ইঙ্গিত দেওয়া এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহেই এই হামলা শুরু হতে পারে। অন্য একটি প্রতিবেদনে দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে তার শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের নিয়ে ‘সিচুয়েশন রুম’-এ একটি জরুরি বৈঠক করবেন।
রিপোর্টারের নাম 






















