সাতক্ষীরা সদরের ভোমরায় তাছলিমা খাতুন (৩৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে লক্ষীদাড়ি গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাসলিমা খাতুনের সাথে সাদ্দামের বিয়ে হয়েছিল ১৬ বছর আগে। তাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে সন্তান আছে এবং তাসলিমা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
নিহতের বড় মেয়ে জানায়, তার বাবা সাদ্দাম হোসেন নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং নেশা করে প্রায়ই মায়ের সঙ্গে ঝগড়া করতেন। শনিবার রাতে দুই সন্তান তাদের দাদির সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। মায়ের গোঙ্গানোর শব্দ শুনে তারা মায়ের রুমে গেলে গলা কাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে। প্রতিবেশীরা দ্রুত এসে তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা নুরুজ্জামান বলেন, বিয়ের পর থেকে আমার মেয়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন করতো। নেশার টাকা জোগাড় করতে না পারলে আমার মেয়ের ওপর নির্যাতন চলতো। এভাবে মেয়েকে হত্যা করবে আমি ভাবতে পারিনি। আমি এ পাষণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে এবং ঘাতক স্বামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























