ঢাকা ১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গী গ্রামবাসী, রাতভর চলছে পাহারা

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছেন জামালপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ। জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার মেঘালয় ও আসাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইন ঠেকাতে গ্রামবাসী এখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ মাঝেমধ্যেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তের যেসব পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়া বা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই, সেখানে বিএসএফ তাদের পাশের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে দিয়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ তৈরি করে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির টহল দলের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ ও সাধারণ মানুষ লাঠিসোঁটা হাতে দলবদ্ধভাবে পাহারা দিচ্ছেন।

সূর্য ডোবার পর থেকেই সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর স্বেচ্ছাসেবকরা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন এবং গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে তথ্য সরবরাহ ও প্রতিরোধে গ্রামবাসী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন। এই দেশপ্রেমমূলক উদ্যোগ পুরো সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে আজ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ: প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান

সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গী গ্রামবাসী, রাতভর চলছে পাহারা

আপডেট সময় : ১০:২২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করছেন জামালপুরের সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ। জেলার দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার মেঘালয় ও আসাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইন ঠেকাতে গ্রামবাসী এখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ মাঝেমধ্যেই অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তের যেসব পয়েন্টে কাঁটাতারের বেড়া বা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নেই, সেখানে বিএসএফ তাদের পাশের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে দিয়ে অনুপ্রবেশের সুযোগ তৈরি করে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বিজিবির টহল দলের পাশাপাশি স্থানীয় তরুণ ও সাধারণ মানুষ লাঠিসোঁটা হাতে দলবদ্ধভাবে পাহারা দিচ্ছেন।

সূর্য ডোবার পর থেকেই সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর স্বেচ্ছাসেবকরা বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেন এবং গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবিকে তথ্য সরবরাহ ও প্রতিরোধে গ্রামবাসী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন। এই দেশপ্রেমমূলক উদ্যোগ পুরো সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।