ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

যুদ্ধ বিরতিতে সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান: জেনেভায় হতে পারে চুক্তি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাত নিরসনে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক সই করতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী রোববার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই চুক্তি সই হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। ইরান মূলত লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এই শর্তগুলো পূরণ হলে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

যদিও চুক্তির খসড়া নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে, তবে দুই পক্ষই চলতি সপ্তাহের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করতে আগ্রহী। যদি জেনেভায় কোনো কারিগরি বিষয় অমীমাংসিত থেকে যায়, তবে পরবর্তী আলোচনার জন্য পাকিস্তানের ইসলামাবাদকে বেছে নেওয়া হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই সমঝোতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতা কামনার পরিকল্পনা করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে আজ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ: প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান

যুদ্ধ বিরতিতে সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান: জেনেভায় হতে পারে চুক্তি

আপডেট সময় : ১০:২৬:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাত নিরসনে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক সই করতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী রোববার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এই চুক্তি সই হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সমঝোতার মূল লক্ষ্য হলো লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা। ইরান মূলত লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। এই শর্তগুলো পূরণ হলে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

যদিও চুক্তির খসড়া নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে, তবে দুই পক্ষই চলতি সপ্তাহের মধ্যে এটি চূড়ান্ত করতে আগ্রহী। যদি জেনেভায় কোনো কারিগরি বিষয় অমীমাংসিত থেকে যায়, তবে পরবর্তী আলোচনার জন্য পাকিস্তানের ইসলামাবাদকে বেছে নেওয়া হতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই সমঝোতার মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ব নেতাদের সহযোগিতা কামনার পরিকল্পনা করছে।