ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কাতারের জ্বালানি খাতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অচলাবস্থার কারণে দেশটির তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ও অবকাঠামোগত ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দোহার দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় কাতারের কয়েক বিলিয়ন ডলারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। সাগরে আটকা পড়া বিশালাকার গ্যাস ট্যাঙ্কারগুলো এখন বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ইরানের ড্রোন হামলায় কাতারের অন্যতম প্রধান গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্র রাস লাফানের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় খুচরা যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করতেই কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। এছাড়া আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো এখন হরমুজ প্রণালিকে অনিরাপদ মনে করায় কাতারের এলএনজি রপ্তানি পুনরায় স্বাভাবিক করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মিলিয়ে দেশটির অর্থনীতির মূল ভিত্তি এই জ্বালানি খাতকে পূর্বের অবস্থায় ফেরাতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার প্রয়োজন হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























