ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ভারতে মুসলিম নিপীড়ন ও গরু জবাইয়ে কড়াকড়ির প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের নিন্দা

ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন এবং পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ওপর পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার ভারতে ধারাবাহিকভাবে মুসলমানদের ধর্মীয় ও মৌলিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার তথাকথিত ফিটনেস সার্টিফিকেটের অজুহাতে গবাদিপশু জবাইয়ে যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, তা মূলত মুসলিমদের ধর্মীয় ও অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলার একটি কৌশল। বিশেষ করে ঈদুল আজহার আগে এ ধরনের পদক্ষেপ মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত। এছাড়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মুসলমানদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

ছাত্রশিবির নেতারা আরও উল্লেখ করেন, এনআরসি, সিএএ এবং ওয়াকফ বিলের মতো বিতর্কিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারতে সুপরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ভারতের এই বৈষম্যমূলক ও নিপীড়নমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসি ও সিসি ক্যামেরার আড়ালে মাদক সাম্রাজ্য: নোয়াখালীতে বিলাসবহুল আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

ভারতে মুসলিম নিপীড়ন ও গরু জবাইয়ে কড়াকড়ির প্রতিবাদে ছাত্রশিবিরের নিন্দা

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ভারতে সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর চলমান রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন এবং পশ্চিমবঙ্গে গরু জবাইয়ের ওপর পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষতার দাবিদার ভারতে ধারাবাহিকভাবে মুসলমানদের ধর্মীয় ও মৌলিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার তথাকথিত ফিটনেস সার্টিফিকেটের অজুহাতে গবাদিপশু জবাইয়ে যে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে, তা মূলত মুসলিমদের ধর্মীয় ও অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলার একটি কৌশল। বিশেষ করে ঈদুল আজহার আগে এ ধরনের পদক্ষেপ মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত। এছাড়া নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় মুসলমানদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদে হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

ছাত্রশিবির নেতারা আরও উল্লেখ করেন, এনআরসি, সিএএ এবং ওয়াকফ বিলের মতো বিতর্কিত পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারতে সুপরিকল্পিতভাবে মুসলিমদের কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে। তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে ভারতের এই বৈষম্যমূলক ও নিপীড়নমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।