ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বলি কিউবা: শেষের পথে জ্বালানি মজুত, জানাল সরকার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধের কারণে তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে কিউবা। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, তাদের জ্বালানি তেলের মজুত প্রায় শেষ হয়ে আসছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে জ্বালানি (তেল) একেবারেই নেই, ডিজেলও নেই। আমাদের কোনো মজুত নেই।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিউবার জাতীয় গ্রিড বর্তমানে ‘সংকটজনক’ অবস্থায় রয়েছে, যা বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।

দে লা ও জানান, অবরোধ সত্ত্বেও কিউবা জ্বালানি আমদানির জন্য নিরন্তর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী তেল ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, যেকোনো দেশ থেকে তারা জ্বালানি কিনতে প্রস্তুত।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কিউবা প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। কিন্তু এর দ্বিগুণেরও বেশি, অর্থাৎ ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল তেল ব্যবহার করে। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে দেশটি কাঠামোগতভাবে আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সংকটকে আরও গভীর করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুলিস্তানে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজপথে বিক্ষোভ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বলি কিউবা: শেষের পথে জ্বালানি মজুত, জানাল সরকার

আপডেট সময় : ০৩:০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধের কারণে তীব্র জ্বালানি সংকটে পড়েছে কিউবা। দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ভিসেন্তে দে লা ও সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, তাদের জ্বালানি তেলের মজুত প্রায় শেষ হয়ে আসছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে জ্বালানি (তেল) একেবারেই নেই, ডিজেলও নেই। আমাদের কোনো মজুত নেই।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, কিউবার জাতীয় গ্রিড বর্তমানে ‘সংকটজনক’ অবস্থায় রয়েছে, যা বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।

দে লা ও জানান, অবরোধ সত্ত্বেও কিউবা জ্বালানি আমদানির জন্য নিরন্তর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে, ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী তেল ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, যেকোনো দেশ থেকে তারা জ্বালানি কিনতে প্রস্তুত।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কিউবা প্রতিদিন প্রায় ৪০ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন করে। কিন্তু এর দ্বিগুণেরও বেশি, অর্থাৎ ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ ১০ হাজার ব্যারেল তেল ব্যবহার করে। এই বিশাল ব্যবধানের কারণে দেশটি কাঠামোগতভাবে আমদানিনির্ভর হয়ে পড়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের সংকটকে আরও গভীর করেছে।