মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধকে কার্যত শেষ বলে মনে করছেন এবং দ্রুত আলোচনার টেবিলে ফিরতে আগ্রহী। বেইজিং সফরের পথে বিমানে তিনি এমন ইঙ্গিত দিলেও, এই সংকট নিরসনে চীনের মধ্যস্থতা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবের বিপরীতে ইরানের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনার সময় এসেছে। তিনি আরও মনে করেন, ইরানের তেল ও গ্যাসের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে চীন তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের আলোচনায় বসাতে পারে। জেডি ভ্যান্সও সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন, যেখানে ট্রাম্পের প্রধান লক্ষ্য হলো ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
তবে, চীন ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলেও কোনো বিদেশি সংঘাতের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সরাসরি যুক্ত হতে বেশ সতর্ক। বেইজিংয়ের প্রধান উদ্বেগের জায়গা হলো, অতীতে যুক্তরাষ্ট্র নিজেই বিভিন্ন চুক্তি থেকে সরে এসেছে। ইরান গত এক বছরে দুবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসেও শেষ পর্যন্ত আক্রমণের শিকার হয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ভবিষ্যতে আবারও চুক্তি থেকে সরে যেতে পারে—এমন কোনো প্রক্রিয়ার অংশ হতে চাইছে না চীন।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং মনে করে, ইরান সংকট ওয়াশিংটনের নিজের তৈরি করা একটি ‘জঞ্জাল’, যা পরিষ্কার করার দায়িত্ব তারা নিতে চায় না। ট্রাম্পের বেইজিং সফরের বাকি ৪০ ঘণ্টায় ইরান ইস্যুটি আলোচনায় ছায়া ফেললেও, এ বিষয়ে বড় কোনো অগ্রগতির সম্ভাবনা ক্ষীণ। বেইজিং আপাতত এই সংঘাত থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতেই বেশি আগ্রহী।
রিপোর্টারের নাম 





















