ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

তাইওয়ানকে আঞ্চলিক শান্তির প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করল বেইজিং

তাইওয়ানকে আঞ্চলিক শান্তির পথে একমাত্র বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে চীন। তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দেওয়া সতর্কবার্তার জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকে এই মন্তব্য করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বেইজিং কর্তৃপক্ষই ‘একমাত্র ঝুঁকি’।

এর আগে শি জিনপিং সতর্ক করেছিলেন যে, তাইওয়ান ইস্যুটি সঠিকভাবে সামলানো না গেলে দুই দেশ বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এর প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনের ‘সামরিক হয়রানি’ এবং তাইওয়ান ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বেইজিংয়ের ‘গ্রে-জোন’ বা ধূসর অঞ্চলের তৎপরতাকে প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে এই পাল্টা বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাইওয়ানের পক্ষে কোনো ধরনের দাবি করার অধিকার বেইজিংয়ের নেই। তাইওয়ান মনে করে, চীন কৃত্রিমভাবে উত্তেজনা তৈরি করে আঞ্চলিক শান্তি বিঘ্নিত করছে।

উল্লেখ্য, বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি শীর্ষ বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাইওয়ান ইস্যু। একদিকে চীন এটিকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করছে, অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্ববাসীর সমর্থন চাইছে। এমন পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের এই কড়া মন্তব্য দুই পরাশক্তির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুলিস্তানে ব্যবসায়ীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজপথে বিক্ষোভ, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবি

তাইওয়ানকে আঞ্চলিক শান্তির প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করল বেইজিং

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

তাইওয়ানকে আঞ্চলিক শান্তির পথে একমাত্র বাধা হিসেবে চিহ্নিত করেছে চীন। তাইওয়ান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দেওয়া সতর্কবার্তার জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকে এই মন্তব্য করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বেইজিং কর্তৃপক্ষই ‘একমাত্র ঝুঁকি’।

এর আগে শি জিনপিং সতর্ক করেছিলেন যে, তাইওয়ান ইস্যুটি সঠিকভাবে সামলানো না গেলে দুই দেশ বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে। এর প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনের ‘সামরিক হয়রানি’ এবং তাইওয়ান ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বেইজিংয়ের ‘গ্রে-জোন’ বা ধূসর অঞ্চলের তৎপরতাকে প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করে এই পাল্টা বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাইওয়ানের পক্ষে কোনো ধরনের দাবি করার অধিকার বেইজিংয়ের নেই। তাইওয়ান মনে করে, চীন কৃত্রিমভাবে উত্তেজনা তৈরি করে আঞ্চলিক শান্তি বিঘ্নিত করছে।

উল্লেখ্য, বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি শীর্ষ বৈঠকের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তাইওয়ান ইস্যু। একদিকে চীন এটিকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করছে, অন্যদিকে তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিশ্ববাসীর সমর্থন চাইছে। এমন পরিস্থিতিতে তাইওয়ানের এই কড়া মন্তব্য দুই পরাশক্তির আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।