গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার বৈঠকের পর দুই দেশের বাণিজ্যযুদ্ধে এক বছরের স্থগিতাদেশ দেওয়া হলেও অর্থনৈতিক উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক বাধাগুলো এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিকসের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, দক্ষিণ কোরিয়া সম্মেলনের পর চীন থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্কের গড় হার দাঁড়িয়েছে ৪৭.৫ শতাংশে। অথচ ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের আগে এই হার ছিল মাত্র ৩.১ শতাংশ। অন্যদিকে, মার্কিন পণ্যের ওপর চীনের আরোপিত গড় শুল্কের হার বর্তমানে ৩১.৯ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে ছিল মাত্র ৮.৪ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, উচ্চ হারের এই শুল্ক দুই দেশের অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলছে। সাম্প্রতিক এই সাময়িক বিরতি কিছুটা স্বস্তি দিলেও ভবিষ্যতে দুই মহাশক্তির বাণিজ্যিক সম্পর্ক কোন পথে যাবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ও কৌতূহল কাটেনি।
রিপোর্টারের নাম 





















