ঢাকার নবাবগঞ্জ এলাকায় চাঞ্চল্যকর ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন পিংকুকে পাঁচ টুকরো করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় ঘোষণার তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এই মামলার ২২ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য আগামী ৬ আগস্ট নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
এর আগে, বুধবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলামের আদালতে এই মামলার রায় ঘোষণার কথা ছিল। তবে বিচারক ব্যস্ত থাকায় রায় ঘোষণা সম্ভব হয়নি এবং তারিখ পেছানো হয়। এর আগেও গত ৪ মার্চ ও ৩১ মার্চ রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও তা পেছানো হয়েছিল।
মামলার আসামিরা হলেন– অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়ম বেগম, স্বামী লুৎফর, ভাই মোখলেছ ও চান মিয়া ওরফে জাহিদ, জাহিদের স্ত্রী মেরী, আনিছ মাষ্টার, বাবুল, সিরাজ, আমির, এনামুল করিম শাহীন, আমানুর, সাইজউদ্দিন, শফিকুল, হযরত, রিংকু, শরিফ, আওলাদ, দুই ভাই কাদের ও নেকবর, হাফিজ উদ্দিন, শিবলু। আসামিদের মধ্যে হযরত, রিংকু ও সিরাজ এখনও পলাতক রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ বিকালে নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের ব্যবসায়ী পিংকুর সঙ্গে মতিউর রহমান, তার বোন মরিয়মসহ অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের শত্রুতা ছিল। অভিযোগ মতে, মতিউর রহমান ও মরিয়মের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় আসামিরা মালিকান্দার চকে পিংকুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পাঁচ টুকরো করে হত্যা করে। এই ঘটনার পরদিন পিংকুর ছোট ভাই মো. এরশাদ নবাবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত শেষে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন ২২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। বিচার চলাকালীন সময়ে ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।
রিপোর্টারের নাম 























