ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

ছাত্রশিবিরের দুই নেতার পঙ্গুত্ব: পুলিশি নির্যাতনের মামলায় বিচার শুরু

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলি করে পঙ্গু করার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার শুরু হয়। মামলার প্রথম সাক্ষী, ভুক্তভোগী ইসরাফিল হোসেন, তার জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে ইসরাফিল হোসেন জানান, তিনি তখন ইসলামী ছাত্রশিবিরের চৌগাছা থানার সেক্রেটারি ছিলেন এবং তার বন্ধু রুহুল আমিন ছিলেন সাহিত্য সম্পাদক। ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বিকেলে তারা সাংগঠনিক কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। চৌগাছা থানার বন্দলীতলা গ্রামের একটি ইটভাটার কাছে পৌঁছালে পুলিশ তাদের থামায়। আটকের পর থানায় নিয়ে রাত ১১টার পর তৎকালীন ওসি মশিউর রহমানের কক্ষে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। মারধরের একপর্যায়ে তারা জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফেরার পর ওসি মশিউর রহমান এসপি আনিসুর রহমানকে ভিডিও কলে তাদের দেখিয়ে বলেন যে, তিনি তাদের নির্দেশ অনুযায়ী গ্রেপ্তার করেছেন। তখন এসপি আনিসুর রহমান সকালে তাদের তার কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাদের হাঁটুতে গুলি করে এবং পরে বালু ভরে দেয়, যার ফলে তাদের পা দুটি কেটে ফেলতে হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে তারা এতদিন অপেক্ষা করেছেন এবং অবশেষে বিচার শুরু হওয়ায় তারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবের পতাকায় কালেমা: প্রোটোকল ভেঙে ফিফার সম্মান প্রদর্শন

ছাত্রশিবিরের দুই নেতার পঙ্গুত্ব: পুলিশি নির্যাতনের মামলায় বিচার শুরু

আপডেট সময় : ০৮:১৪:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

যশোরের চৌগাছায় ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার হওয়া ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলি করে পঙ্গু করার ঘটনায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার শুরু হয়। মামলার প্রথম সাক্ষী, ভুক্তভোগী ইসরাফিল হোসেন, তার জবানবন্দি দিয়েছেন।

জবানবন্দিতে ইসরাফিল হোসেন জানান, তিনি তখন ইসলামী ছাত্রশিবিরের চৌগাছা থানার সেক্রেটারি ছিলেন এবং তার বন্ধু রুহুল আমিন ছিলেন সাহিত্য সম্পাদক। ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট বিকেলে তারা সাংগঠনিক কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। চৌগাছা থানার বন্দলীতলা গ্রামের একটি ইটভাটার কাছে পৌঁছালে পুলিশ তাদের থামায়। আটকের পর থানায় নিয়ে রাত ১১টার পর তৎকালীন ওসি মশিউর রহমানের কক্ষে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। মারধরের একপর্যায়ে তারা জ্ঞান হারান। জ্ঞান ফেরার পর ওসি মশিউর রহমান এসপি আনিসুর রহমানকে ভিডিও কলে তাদের দেখিয়ে বলেন যে, তিনি তাদের নির্দেশ অনুযায়ী গ্রেপ্তার করেছেন। তখন এসপি আনিসুর রহমান সকালে তাদের তার কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর পুলিশ তাদের হাঁটুতে গুলি করে এবং পরে বালু ভরে দেয়, যার ফলে তাদের পা দুটি কেটে ফেলতে হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে তারা এতদিন অপেক্ষা করেছেন এবং অবশেষে বিচার শুরু হওয়ায় তারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করছেন।