ঢাকা ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের আরও দুই মামলায় জামিন আবেদন

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আরও দুটি নতুন মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এর আগে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া তার জামিন বহাল থাকে।

জানা গেছে, বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার এই জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি এবং প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকসহ মোট পাঁচটি মামলা হয়। এসব মামলায় অধস্তন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এবং পাঁচ মামলায় জামিন পান। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে সেই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়।

বর্তমানে অধস্তন আদালতে আরও দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই মামলাগুলো জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা হয়েছিল। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে বিফল হয়ে তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান এবং পরবর্তীতে তিনবার আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসি ও সিসি ক্যামেরার আড়ালে মাদক সাম্রাজ্য: নোয়াখালীতে বিলাসবহুল আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের আরও দুই মামলায় জামিন আবেদন

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক আরও দুটি নতুন মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এর আগে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পাঁচটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া তার জামিন বহাল থাকে।

জানা গেছে, বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আজ মঙ্গলবার এই জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি এবং প্লট জালিয়াতিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকসহ মোট পাঁচটি মামলা হয়। এসব মামলায় অধস্তন আদালতে জামিন না পাওয়ার পর তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এবং পাঁচ মামলায় জামিন পান। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে সেই জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলেও তা খারিজ হয়ে যায়।

বর্তমানে অধস্তন আদালতে আরও দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এই মামলাগুলো জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা হয়েছিল। এসব মামলায় নিম্ন আদালতে বিফল হয়ে তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে তিনি অবসরে যান এবং পরবর্তীতে তিনবার আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।