দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয় এখন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী। রাজনীতির ময়দানে তার এই নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার পর থেকেই ভক্ত ও চলচ্চিত্র মহলে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—থালাপতি বিজয় কি আর অভিনয় করবেন?
রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি ধীরে ধীরে অভিনয় থেকে দূরে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। নিজের রাজনৈতিক দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম’ গঠনের পর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার ব্যস্ততা বাড়ে। পরে নির্বাচনে জয়লাভ করে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে।
বর্তমানে ‘জননায়গান’ সিনেমাটিই হতে পারে বিজয়ের শেষ চলচ্চিত্র। সিনেমাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন জানিয়েছেন, এই সিনেমার পর বিজয়ের নতুন কোনো সিনেমায় অভিনয়ের পরিকল্পনা নেই।
রাজনৈতিক অ্যাকশনধর্মী এই সিনেমার পরিচালক এইচ ভিনোথ। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ‘থালাপতি ৬৯’ নামে সিনেমাটির ঘোষণা দেওয়া হয়। পরে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এর নাম প্রকাশ করা হয় ‘জননায়গান’। একই বছরের অক্টোবরে চেন্নাইয়ে শুরু হয় সিনেমাটির শুটিং। এরপর পায়ানুর ও চেন্নাইয়ের বিভিন্ন স্থানে ধাপে ধাপে দৃশ্যধারণ শেষ হয়।
সিনেমাটিতে বিজয়ের সঙ্গে অভিনয় করেছেন ববি দেওল, পূজা হেগড়ে ও মামিথা বাইজু। সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন অনিরুদ্ধ রবিচন্দর।
প্রথমে ২০২৬ সালের পঙ্গল উৎসবে সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও, সেন্সর জটিলতার কারণে তা পিছিয়ে যায়। সর্বশেষ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সিনেমাটি মুক্তির প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং খুব শিগগির প্রেক্ষাগৃহে আসতে পারে ‘জননায়গান’।
বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের পর বিজয়ের পক্ষে নিয়মিত অভিনয়ে সময় দেওয়া কঠিন হবে। দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এর আগেও এম. জি. রামাচন্দ্রন ও জে. জয়ললিতার মতো তারকারা অভিনয় ছেড়ে পুরোপুরি রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছিলেন।
তবে এখনও বিজয় অভিনয় থেকে আনুষ্ঠানিক অবসরের ঘোষণা দেননি। তাই ভক্তদের একাংশের বিশ্বাস, রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেও হয়তো বিশেষ কোনো চরিত্রে আবারও বড় পর্দায় ফিরতে পারেন এই তারকা।
রিপোর্টারের নাম 
























