ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

কামরাঙ্গীরচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১০ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইয়াছিন (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিকাল ৪টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ঝাউলা হাঁটি হাজিরঘাট এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

মৃতের বাবা সাব্বির মরল জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকালে তার ছেলে ইয়াছিন তাদের ভাড়া বাসার পাশেই মাঠে খেলতে গিয়েছিল। মাঠের পাশে একটি চায়ের দোকানে এবং রিকশা গ্যারেজের বৃষ্টি ভেজা টিনে হাত লাগলে সে অচেতন হয়ে পড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে সন্ধ্যা পৌঁনে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে। মৃত ইয়াছিনের গ্রামের বাড়ি খুলনার ফুলতলা জুগলি পাশা গ্রামে। তার বাবা সাব্বির মরল গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানের শ্রমিক। ইয়াছিনকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করার কথা ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ওয়ানডেতে মিরাজকে রেখেই বাংলাদেশের অপরিবর্তিত দল ঘোষণা

কামরাঙ্গীরচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১০ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইয়াছিন (১০) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ মে) বিকাল ৪টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ঝাউলা হাঁটি হাজিরঘাট এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

মৃতের বাবা সাব্বির মরল জানিয়েছেন, ঘটনার দিন বিকালে তার ছেলে ইয়াছিন তাদের ভাড়া বাসার পাশেই মাঠে খেলতে গিয়েছিল। মাঠের পাশে একটি চায়ের দোকানে এবং রিকশা গ্যারেজের বৃষ্টি ভেজা টিনে হাত লাগলে সে অচেতন হয়ে পড়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে সেখান থেকে সন্ধ্যা পৌঁনে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে। মৃত ইয়াছিনের গ্রামের বাড়ি খুলনার ফুলতলা জুগলি পাশা গ্রামে। তার বাবা সাব্বির মরল গ্যাস সিলিন্ডারের দোকানের শ্রমিক। ইয়াছিনকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে ভর্তি করার কথা ছিল।